ডঃ ওয়াজেদ মিয়ার সিম্পল লিভিং হাই থিংকিং জীবনাদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয়
বিদেশি হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি মানুষ আলোচনা করছে তার জীবন পর্যালোচনা করছে এই যে আজকে বর্ণাঢ্য একটা কর্মময় জীবনের অধিকারী হলেন আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিসম্পন্ন বিজ্ঞানী মর্যাদার আসনে নিজেকে নিয়ে যেতে পারলেন সেটা কিন্তু অত্যন্ত সাদামাটা একটা বিনিময়ে জীবন থেকে শুরু করেছিলেন ব্যক্তিজীবনে ডঃ ওয়াজেদ মিয়া যেরকম ছিলেন অত্যন্ত আন্তর্জাতিক পরমাণু বিজ্ঞানী ডঃ ওয়াজেদ মিয়া ব্যক্তিগত জীবনে সাদামাটা জীবন যাপন করতেন। কিন্তু স্বপ্ন দেখতেন অনেক বড়। আগামী প্রজন্মের জন্য তার সিম্প্ল লিভিং হাই থিংকিং আদর্শ অনুকরণীয় হতে পারে।
রবিবার এই মহাপুরুষের দ্বাদশ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ডিজিটাল স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
তিনি বলেন, আমার মনে হয় ওয়াজেদ মিয়ার মতো একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিজ্ঞানীর কাছ থেকে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম এ সিম্প্ল লিভিং হাই থিনকিং ছবিটা সবচেয়ে বেশি অনুকরণীয় একটি শিক্ষণীয় বিষয় হিসেবে তারা গ্রহণ করতে পারে।
পলক বলেন, দেশি বিদেশি হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি মানুষ আলোচনা করছে। তার জীবন পর্যালোচনা করছে এই যে আজকে বর্ণাঢ্য একটা কর্মময় জীবনের অধিকারী হলেন আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিসম্পন্ন বিজ্ঞানী মর্যাদার আসনে নিজেকে নিয়ে যেতে পারলেন সেটা কিন্তু অত্যন্ত সাদামাটা একটা বিনিয়ের জীবন থেকে শুরু করেছিলেন। ব্যক্তিজীবনে ডঃ ওয়াজেদ মিয়া যেরকম ছিলেন অত্যন্ত সাদামাটা একজন সাধারন মানুষ কিন্তু তার পারিবারিক জীবনে আমরা খুঁজে পাই ভিশন একজন দায়িত্বশীল স্বামী কিংবা সফল একজন পিতা হিসেবে ।
পরমাণু বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়া ছিলেন নির্লোভ, নিরহংকার ও প্রচার বিমুখ মানুষ.... আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক
ঢাকা: ৯ মে ২০২১
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়া ছিলেন নির্লোভ, নিরহংকার ও প্রচার বিমুখ মানুষ। বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের অধিকারী ড. ওয়াজেদ মিয়া তাঁর সমগ্র কর্মজীবনে মেধা, মনন ও সৃজনশীলতা দিয়ে দেশ, জাতি ও জনগণের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন।
প্রতিমন্ত্রী আজ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে দেশবরেণ্য,আন্তর্জাতিক পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ১২ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিলে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
জনাব পলক বলেন একটি জাতির সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হচ্ছে শিক্ষা ও গবেষণা। ড. ওয়াজেদ মিয়া জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বিজ্ঞান ,শিক্ষা ও গবেষণায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন । তিনি শ্রেষ্ঠতম বিজ্ঞানী হওয়া সত্বেও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীন সত্বা এবং এ দেশটি অর্জনের ক্ষেত্রেও তার অবদান ছিল অপরিসীম।
পলক বলেন, ড. ওয়াজেদ মিয়া দেশবরণ্য বিজ্ঞানীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন সাহসী, দেশপ্রেমিক, রাজনীতিবিদ দায়িত্বশীল স্বামী, পিতা এবং তীক্ষ্ণ মেধাবী ছাত্র। ছাত্রলীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী হয়েও ড. ওয়াজেদ মিয়া সাধারণ মানুষের মতো জীবনযাপন করলেও স্বপ্ন দেখতেন বড়।
তিনি বলেন ড. ওয়াজেদ মিয়া রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে যে স্বপ্ন ছিল তা আজ বাস্তবায়নের পথে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা ও গবেষণায় ড.ওয়াজেদ মিয়ার অবদানকে ফিজিক্যালি এবং ডিজিটালি স্মরণীয় করে রাখতে রংপুর পীরগঞ্জ শেখ কামাল আইটি ইনকিউবেশন এন্ড ট্রেনিং সেন্টারে ড. ওয়াজেদ মিয়া ডিজিটাল কর্নার প্রতিষ্ঠা করা হবে। এছাড়া রংপুর হাইটেক পার্কের নাম ড. ওয়াজেদ মিয়ার নামে নামকরণ করা হবে বলেও তিনি জানান।
জাতির জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করায় ড. ওয়াজেদ মিয়া আগামী প্রজন্ম সহ সকলের কাছে আদর্শ ও অনুপ অনুকরণীয় হয়ে থাকবে এবং তাঁর অবদানের জন্য মানুষ তাকে চিরকাল স্মরণ করবে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব এন এম জিয়াউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংযুক্ত থেকে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আণবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা: সানোয়ার হোসেন, আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ডা. বিকর্ণ কুমার ঘোষ, রংপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ: আসিব আহসান, এম এ ওয়াজেদ মিয়া ফাউন্ডেশন এর সভাপতি শাহাদাত হোসেন বকুল, পীরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম শামীম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের পরিচালক এবিএম আরশাদ হোসেন, কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের যুগ্মসচিব আখতারুজ্জামান, বিকর্ণ কুমার ঘোষ প্রমুখ।
পরে ড. ওয়াজেদ মিয়ার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়।